অধিবেশন কক্ষে অসংবিধানিক করার জন্য বিজেপির ৬ বিধায়কসাসপেন্ড

Read Time:4 Minute

সৌরভ দত্ত : সন্দেশখালি ইস্যুতে লাগাতার প্রতিবাদ দেখাচ্ছে বিজেপি। রাজভবন অভিযান করেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর আগেই বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। সন্দেশখালিতে উস্কানি দেওয়া অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এক বিজেপি নেতাকেও। বিধানসভায় সোমবার সমগ্র পরিস্থিতি নিয়ে ফের বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। এই ঘটনার পর সাসপেন্ড হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী সহ ৬ জন বিধায়ক। স্পিকার সাসপেন্ড করেছেন শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পাল, শঙ্কর ঘোষ, মিহির গোস্বামী, বঙ্কিম ঘোষ এবং তাপসী মণ্ডলকে। চলতি অধিবেশনের শেষ দিন পর্যন্ত তাঁরা সাসপেন্ড। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এই সাসপেনশনের বিষয়ে জানান, ”আমরা গর্বিত। সন্দেশখালির মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা লড়াই করছি। তার জন্য যদি সাসপেন্ড হতে হয়, হব।” আসলে সোমবার বিজেপি বিধায়করা ‘সন্দেশখালি সঙ্গে আছি’ লেখা পোশাক পরে বিধানসভায় আসেন। বিজেপি বিধায়কদের পোশাক দেখে তা খুলতে বলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন পোশাক বিধানসভায় বাঞ্ছনীয় নয় বলে মত তাঁর। কিন্তু তাঁর নির্দেশ অমান্য করেন তাঁরা। উল্টে কাগজ ছিঁড়ে প্রতিবাদ জানান। এরপরই ৬ জন বিজেপি বিধায়ক সাসপেন্ড হন। অধিবেশন কক্ষে এই ঘটনার আগে বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্ব চলার মাঝে লাগাতার স্লোগান দেন বিজেপি বিধায়করা। বিরোধী দলনেতার দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত থাকলেও অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে না। সন্দেশখালি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও উপেক্ষা করা হচ্ছে। সন্দেশখালি নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর কোনও বিবৃতি নেই। তিনি বিধানসভাতেও আসছেন না। এই প্রেক্ষিতে সন্দেশখালি নিয়ে তাঁর বিবৃতি দাবি করেছে বিজেপি।

এর আগে বিধানসভায় শীতকালীন অধিবেশনে সাসপেন্ড হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভার অধ্যক্ষের প্রতি অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। সেই সময়ে তৃণমূল বিধায়কদের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান তুলেছিলেন বিজেপি বিধায়করা। বিধানসভার অন্দর তো বটেই, গেটের কাছেও বিক্ষোভ দেখানো হয়। ওই ঘটনায় গোটা শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।অধিবেশন কক্ষে অসংবিধানিক করার জন্য ৩৪৮ ধারাতে সাসপেন্ড। এই ঘটনার আগে বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্ব চলার মাঝে লাগাতার স্লোগান দেন বিজেপি বিধায়করা। বিরোধী দলনেতার দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত থাকলেও অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে না। সন্দেশখালি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও উপেক্ষা করা হচ্ছে। সন্দেশখালি নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর কোনও বিবৃতি নেই। তিনি বিধানসভাতেও আসছেন না। এই প্রেক্ষিতে সন্দেশখালি নিয়ে তাঁর বিবৃতি দাবি করেছে বিজেপি। এর আগে বিধানসভায় শীতকালীন অধিবেশনে সাসপেন্ড হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভার অধ্যক্ষের প্রতি অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। সেই সময়ে তৃণমূল বিধায়কদের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান তুলেছিলেন বিজেপি বিধায়করা। বিধানসভার অন্দর তো বটেই, গেটের কাছেও বিক্ষোভ দেখানো হয়। ওই ঘটনায় গোটা শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *