Read Time:3 Minute

‘সিএএ নিয়ে সব মিথ্যে কথা বলা হচ্ছে, আমরা সবাই নাগরিক’: মুখ্যমন্ত্রী

24 Hrs Tv:নিজস্ব প্রতিনিধি : গত রবিবার কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর ১ সপ্তাহের মধ্যে সিএএর চালু হবে এমন দাবি করেন। এমন দাবি সামনে আসতেই বাংলার রাজনীতি জুড়ে তুঙ্গে তরজা এন আরসি, সিএএ নিয়ে। এই বিষয়ে সোমবার কোচবিহারের সভা থেকে পাল্টা সুর চড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মঙ্গলবার রায়গঞ্জের সভায় গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুঙ্কার, ‘আমরা বাংলায় এনআরসি করতে দেব না’।

উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষকে বুঝিয়ে দিলেন, ‘নাগরিক না হলে আপনি ভোট দেন কী করে ? এগুলো সব মিথ্যে কথা বলা হচ্ছে, আমরা সবাই নাগরিক’। গত সোমবার কোচবিহারের সভা থেকে রাজবংশীদের উদ্দেশে তিনি বলেছিন, ‘রাজবংশী বন্ধুরা আপনারা তো ইতিমধ্য়েই নাগরিক। নতুন করে ক্য়া ক্যা করে চিৎকার করছে। এটা ফ্যা ফ্য়া ভোটের রাজনীতি করার জন্য। আপনারা সবাই নাগরিক। আপনাদের সবাইকে নাগরিক হিসেবে আমরা স্বীকৃতি দিয়েছি।’ মঙ্গলবার ওই রেশ টেনেই আবারও তৃণমূলনেত্রীর মুখে শোনা গেন সেই একই প্রসঙ্গ। বললেন, ‘ বিএসএফ কোনও কার্ড দিতে এলে বলে দেবেন, আমার আধার কার্ড আছে, আমার রেশন কার্ড নেব না! আমি তোমার দু-নম্বরি কার্ড নেব না! ওই কার্ড যদি নেন, NRC-তে পড়ে যাবেন।’ প্রসঙ্গত, সিএএ চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়ে, গত লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে মতুয়াদের ঢালাও সমর্থন পেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু, পঞ্চায়েত ভোটে মতুয়া ভোটের সিংহভাগই গিয়েছে তৃণমূলের দিকে।

বিজেপিতে আক্রমণ করে এদিন রায়গঞ্জের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বিজেপির রাজ্যে ডিম, মাছ, মাংস খাওয়া বন্ধ। ক্ষমতায় এসে সব দোকান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দিয়েছে। আপনি কী খাবেন সেটা আপনার অধিকার। আপনি কী পোশাক পরবেন সেটা কিন্তু আপনাদের অধিকার’। এখনও জাতীয় নির্বাচন কমিশন লোকসভা নির্বাচন নিয়ে বিঞ্জপ্তি জারি করেনি। কিন্তু ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। জেলা থেকে ব্লক স্তরে দলগুলো রাজনৈতিক দাবি নিয়ে পথে নেমেছে। আগামী দিনে রামমন্দির উদ্বোধন থেকে শুরু করে সিএএ, এনআরসি ইস্যুতে বাংলার মাটি তপ্ত হয়ে উঠবে তা বলাই চলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *