পুলিশের নিরাপত্তার মধ্যে হাঁসখালি গণধর্ষণকাণ্ডের সাক্ষীকে মারধরের অভিযোগ

Read Time:3 Minute

24 Hrs Tv: নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও হাঁসখালি গণধর্ষণকাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী নির্যাতিতার ছোট কাকাকে মারধরের অভিযোগ উঠল এক দল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। স্বাভাবিক ভাবে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আক্রান্ত ব্যক্তি এখন হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাত ৮ টা নাগাদ।

নির্যাতিতার পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পুলিশকে নির্দেশ দেয় আদালত। পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে মামলা হয় হাইকোর্টে।আদালতের নির্দেশে তদন্তের ভার দেওয়া হয় সিবিআইকে।

নদিয়ার হাঁসখালি গণধর্ষণকাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী নির্যাতিতার ছোটকাকা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাকে সাক্ষ্য না দেওয়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছিল। আমি তাতে পাত্তা দিইনি। গতকাল রাতে আমাকে খুন করার চেষ্টা হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে আমরা ফের আদালতে যাব।

নির্যাতিতার পরিবার থেকে দাবি করা হয়েছে, শনিবার রাত ৮টা নাগাদ তাদের বাড়িতে ঢুকে পরে কয়েক জন অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি। তাঁরা নির্যাতিতার ছোটকাকাকে সাক্ষ্য না দিতে বলেন। রাজি না হওয়াতে বেধড়ক মারধর করা হয়। খুনের হুমকিও দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যেরা ছুটে আসতেই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। হাঁসখালি গণধর্ষণকাণ্ডের মূল অভিযুক্তের লোকজনদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, তথ্য-প্রমাণ লোপাটের জন্য নাবালিকার দেহ শ্মশানে দাহ করে ফেলা হয়। খবর সামনে আসতে নির্যাতিতার মা-বাবা হাঁসখালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। নদিয়ার রানাঘাট পুলিশ জেলার হাঁসখালি থানা এলাকায় ২০২২ সালের ১০ই এপ্রিল গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়। তাতে জানানো হয়, ৫ এপ্রিল স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের পুত্রের জন্মদিনের পার্টিতে নিমন্ত্রিত নাবালিকাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। পঞ্চায়েত সদস্যের পুত্র এবং তার কয়েক জন বন্ধু মিলে নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যাওয়া হয় নাবালিকাকে। পরে তার মৃত্যু হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *