JNU’তে সংঘর্ষে জড়াল এভিবিপি ও বাম ছাত্র সংগঠন

Read Time:2 Minute

24 Hrs Tv:নিজস্ব প্রতিনিধি : লোকসভা নির্বাচনের বছরে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ফের সংঘর্ষে জড়াল এভিবিপি ও বাম ছাত্র সংগঠন। শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সভায় গন্ডগোল শুরু হয়। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ ও দুই বাম ছাত্র সংগঠন AISA এবং SFI সদস্যরা। দু’পক্ষেরই দাবি, সংঘর্ষে আহত হয়েছে তাদের বেশ কয়েকজন সদস্য।

উল্লেখ্য, দিল্লি হিংসার সময় কালে এক বন্দুকবাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় পুলিশের উপস্থিতিতে রিভালবার উচিয়ে হুঙ্কার ছেড়েছিল ‘দেশ কে গদ্দারকো ,গলি মারো সালোকো’। এরই মধ্যে আবারও এই স্লোগান সামনে এসেছে। সম্প্রতি, দেশদ্রোহীদের গুলি করে মেরে ফেলার আইনি ছাড়পত্র চাইলেন কর্ণাটকের বিজেপি নেতা কে এস ঈশ্বরাপ্পা।

কর্নাটকের একটি দলীয় অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ঈশ্বরাপ্পা। সেখানে সাফ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ, ডি কে সুরেশ ও বিনয় কুলকার্নি হল দেশের ‘গদ্দার’। ওরা দেশকে ভেঙে ফেলতে চায়। আমি চাই এমন একটা আইন হোক, যেখানে এই দেশদ্রোহীদের গুলি করে হত্যা করা যাবে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে দিল্লি হিংসার আবহে ছড়িয়ে পড়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগের ঠাকুরের, ‘দেশ কে গদ্দারো কো গোলি মারো সালাকো’ স্লোগান। ওয়াকিবহাল মহলের অনুমান, দেশদ্রোহীদের গুলি করে হত্যার আইনি ছাড়পত্র চেয়ে নির্বাচনের আগে আবারও ওঁই স্লোগানই ফিরিয়ে আনলেন ঈশ্বরাপ্পা।

সপ্তাহ খানেক ধরেই দেশভাগ বিতর্কে উত্তাল কর্নাটক। উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের ভাই কংগ্রেস সাংসদ ডি কে সুরেশ বলেছিলেন, কেন্দ্র যদি লাগাতার বঞ্চনা করতে থাকে তাহলে পৃথক দেশের দাবিতে সরব হতে বাধ্য হবে দক্ষিণের রাজ্যগুলো। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সংসদে দাঁড়িয়ে সরব হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তবে নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তি বা রাজ্যের নাম উল্লেখ করেননি তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *