‘‘আমি কিচ্ছু করিনি” কান্না ভেজা গলায় মণীশ কোঠারি,কেঁদে ভাসালেন তাঁর স্ত্রী

Read Time:3 Minute

24Hrs Tv ওয়েব ডেস্ক : মণীশের দাবি তিনি কোনও ভুল করেননি। কিন্তু এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট মণীশকে গ্রেফতারের পরে আদালতে পেশ করে অভিযোগ করল, বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রতের হয়ে তিনিই গরু পাচারের কালো টাকা সাদা করেছেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে ইডি-র সদর দফতরে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পরে মণীশকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বুধবার সকালে অনুব্রতের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলকে ইডি-র দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু মণীশের গ্রেফতারির পরে সুকন্যা হাজিরা এড়িয়েছিলেন। আইনজীবী মারফত ইডি-র দফতরে ই-মেল করে হাজির না-হওয়ার কারণ জানান তিনি। ইডি সূত্রের খবর, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে পারছেন না বলে জানিয়েছিলেন সুকন্যা। তবে কয়েক দিনের মধ্যে ফের তাঁকে হাজিরা দিতে হতে পারে বলে সূত্রের খবর। অনুব্রত আগামী ২১ মার্চ পর্যন্ত ইডি-র হেফাজতে। এর মধ্যেই বাবা-মেয়েকে একসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, শক্তিগড়ে একটি রেস্তরাঁয় এক টেবিলে অনুব্রতের সঙ্গে দেখতে পাওয়া তৃণমূলকর্মী কৃপাময় ঘোষকেও দিল্লিতে তলব করেছে ইডি।

পাশাপাশি ইডি-র আইনজীবী নীতেশ রাণা আজ রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে দাবি করেছেন, অনুব্রত জিজ্ঞাসাবাদের সময় জানিয়েছেন, তাঁর টাকা-সম্পত্তি কোথায় কী ভাবে কাজে লাগানো হয়েছে, সবই মণীশ জানেন। তিনিই গরু পাচারের টাকা নিয়ে আর্থিক নয়ছয় করেছেন। অনুব্রতের পাশাপাশি, তাঁর দেহরক্ষী সেহগাল হোসেনের কালো টাকা-সম্পত্তিও মণীশই সাদা করতেন। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের সময় উত্তর এড়িয়ে যাচ্ছেন। তাই সাত দিনের জন্য মণীশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক রঘুবীর সিংহ সোমবার পর্যন্ত তাঁকে ইডির হেফাজতে রাখার অনুমতি দেন।

রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে এজলাস থেকে বেরোনোর পরেই মণীশ কোঠারির স্ত্রী তাঁকে জড়িয়ে ধরে করে কান্নায় পড়েছিলেন। জেলবন্দি তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবরক্ষক মণীশের চোখেও জল চলে এল। কান্না ভেজা গলায় বললেন, ‘‘আমি কিচ্ছু করিনি। কোনও ভুল করিনি।”আমার একমাত্র ভুল চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হওয়া।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *