Read Time:4 Minute

মেসির সতীর্থকে সই করাল ইস্টবেঙ্গল

24 Hrs Tv:নিজস্ব প্রতিনিধি : কলিঙ্গ সুপার কাপ জিতে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফুটছে ইস্টবেঙ্গল এফসি। ৩ ফেব্রুয়ারি, শনিবার আইএসএল ডার্বিতে মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ইস্টবেঙ্গল এফসি ও মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ইজ্জতের লড়াই’তে মাঠে নামার আগে লাল-হলুদ শিবিরে যোগ দিলেন লিওনেল মেসির সতীর্থ ভিক্টর ভাজকেজ়। বোরহা হেরেরাকে ছেড়ে দেওয়ার পরে তাঁর বিকল্পও হিসেবে খেলবেন ভাজকেজ। স্পেনের অভিজ্ঞ ফরওয়ার্ড ২০২৩-২৪ মরশুমের আইএসএলে খেলবেন ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে। এফসি বার্সেলোনা, ক্লাব ব্রাজ, টরন্টো এফসি ও লস অ্যাঞ্জেলস গ্যালাক্সির মতো দলে খেলেছেন তিনি।

ভাজকেজকে দলে পেয়ে খুশি কোচ কার্লস কুয়াদ্রাত বলেন, ‘ভিক্টর বার্সেলোনা এফসি’র স্টাইল ফুটবলের ফসল। মেসি, পিকে, ফাব্রেগাসদের প্রজন্মের ফুটবলার ও। মাঝমাঠে ওর সৃষ্টিশীলতা ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের প্রচুর আনন্দ দেবে। বড় মঞ্চে খেলতে অভ্যস্ত ভিক্টর। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো টুর্নামেন্টে খেলে এসেছে। আমাদের বিশ্বাস, আইএসএলেও এ বার সফল হবে’।
বার্সেলোনা এফসি-র যুব প্রকল্প ‘লা মাসিয়া’ থেকে উঠে আসা এই ফুটবলার লিওনেল মেসি, সেস ফাব্রেগাস ও জেরার্ড পিকে’দের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিতেন। ২০০৮’এ বার্সেলোনার প্রথম দলে তাঁকে ডেকে নেন কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা। ২০১০-১১ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বে এফসি রুবিন কাজানের বিরুদ্ধে গোল করেন। ২০০৮-০৯ ও ২০১১-১২-য় বার্সেলোনার চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ী দলের সদস্য ছিলেন ভিক্টর ভাজকেজ়।

২০১১’র এপ্রিলে বেলজিয়ান লিগের দল ক্লাব ব্রুগে যোগ দেন ভাজকেজ। তাদের হয়ে ১৭৩টি ম্যাচে খেলে ২৫টি গোল ও ৫০টি অ্যাসিস্ট রয়েছে। ২০১৪ থেকে ২০১৬-র মধ্যে তাদের সঙ্গে বেলজিয়ান কাপ ও বেলজিয়ান লিগও জেতেন। উয়েফা ইউরোপা লিগে ক্লাব ব্রুগের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৪-১৫ মরশুমে বেলজিয়ামের সেরা পেশাদার ফুটবলারের সন্মানও অর্জন করেন ভাজকেজ।

ক্লাব ব্রুগ ছাড়ার পর তিনি মেক্সিকো, কাতার ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার লিগে বিভিন্ন ক্লাবের হয়েও খেলেছেন। মার্কিন ক্লাব টরন্টো এফসি ও এলএ গ্যালাক্সির হয়ে শেষ খেলেন মেসির এই সতীর্থ ফুটবলার। গ্যালাক্সির হয়ে ৫৭টি ম্যাচ খেলেন। এ বার তাঁকে দেখা যাবে ভারতের সেরা লিগ ইন্ডিয়ান সুপার লিগে। ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়ে ভাজকেজ বলেছেন, ‘ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়ে আমি খুব খুশি। কোচ কার্লস ও দিমাসের কাছ থেকে এই ক্লাবের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে অনেক কথা শুনেছি। ভারতীয় ফুটবলে পা রাখার জন্য আমি রোমাঞ্চিত। আশা করি, ক্লাবের সাফল্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারব’। তবে আসন্ন কলকাতা ডার্বিতে তাঁকে মাঠে দেখা যাবে কি না, এই নিয়ে ক্লাবের পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *