রাজ্য পুলিশের হাতে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান

Read Time:3 Minute

24 Hrs Tv:নিজস্ব প্রতিনিধি: ইডি-র ওপর হামলার ৫৬ দিনের মাথায় রাজ্য পুলিশের হাতে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান। পুলিশ সূত্রে খবর, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় ধৃত তৃণমূল নেতাকে আনা হয়েছে বসিরহাট মহকুমা আদালতে। সেখানেই কোর্ট লক আপে রাখা হয়েছে শেখ শাহজাহানকে।

শাহজাহানের বিরুদ্ধে জমি জবরদখল থেকে শুরু করে নোনাজল ঢুকিয়ে জোর করে ভেড়ি তৈরি করা, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি-সহ ভুরিভুরি অভিযোগ রয়েছে গোটা সন্দেশখালিজুড়ে। এই গ্রেফতারি প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এসব চুনোপুটিদের ধরতেই এতদিন লাগল, রাঘব বোয়ালদের ধরতে কতদিন লাগবে।’

অবশেষে মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার হলেন সন্দেশখালির ‘নিখোঁজ’ তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ। দাবি পুলিশ সূত্রে।বৃহস্পতিবারই তাঁকে আদালতে হাজির করানো হবে। সকাল ৯টায় মিনাখাঁ থানায় সাংবাদিক বৈঠক করবেন রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছে আজই তাঁকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হবে। র‍্যাফ, পুলিশে ছয়লাপ বসিরহাট মহকুমা আদালত চত্বর। সন্দেশখালির বিভিন্ন অংশে মোতায়েন বাড়তি পুলিশ বাহিনী।

সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, জমি জবরদখল ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান। অসমর্থিত সূত্রে খবর, গতকাল রাতে অর্থাৎ বুধবার মিনাখার বামনপুকুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে শাহজাহানকে। শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এপ্রসঙ্গে বলেন, ‘শেখ শাহজাহান গ্রেফতার সম্ভব হয়েছে বিজেপির লাগাতার আন্দোলনের ফলে। সন্দেশখালির মা-মেয়ে-বোনেদের আক্রমণের ফলে এটা সম্ভব হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতৃত্ব প্রথম থেকেই এই অত্যাচার, এমন ঘটনা অস্বীকার করে আসছিলেন। আমরা বাধ্য করেছি গ্রেফতার করতে। আমাদের লাগাতার আন্দোলন-ধর্না চলছিল, চলবে। আজ মানুষকে ধন্যবাদ জানাব।’

শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারের পর অশান্তি ছড়াতে পারে সন্দেশখালির একাধিক এলাকায় এমন আশঙ্কা করছে রাজ্য পুলিশ। এই কারণে ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩টি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এর মধ্যে রয়েছে সন্দেশখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের ত্রিমণি বাজার, খুলনা ঘাট, ভোলাখালি ঘাট, সন্দেশখালি ঘাট ও পাত্রপাড়া, দুর্গামণ্ডপ গ্রাম পঞ্চায়েতের গাববেড়িয়া বাজার, দাউদপুর ও ডুগডুগি বাজার, খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের শীতুলিয়া বাজার, খুলনা বাজার ও হাটগাছা বাজার। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *