শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে পড়ুয়া স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর অস্বাভাবিক মৃত্যুর শুনানি

Read Time:3 Minute

24 Hrs Tv:নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ১১ মার্চ থেকে শুরু হতে পারে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর অস্বাভাবিক মৃত্যুর শুনানি। প্রথম বর্ষের বাংলা অনার্সের পড়ুয়া মৃত্যুর ঘটনায় ২০২০-র রাজ্যের র‍্যাগিং প্রতিরোধ আইনের ৪ নম্বর ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

পাশাপাশি, সরাসরি খুনের ধারা যুক্ত না হলেও ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৫, ৩৪ থেকে শুরু করে পকসো আইনের ১০, ১২, ১৭ ধারা রয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ১২ জনের বিরুদ্ধে গত অক্টোবরে জমা পড়েছে চার্জশিট। আলিপুরের পকসো আদালতে চলবে মামলার ‘ট্রায়াল’। অভিযুক্ত ছয় বর্তমান এবং ছয় প্রাক্তন ছাত্র দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ শাস্তিও হতে পারে বলেই দাবি আইনজীবীদের। পুলিশ সূত্রে দাবি, সৌরভ চৌধুরী-সহ অভিযুক্ত ১২ জনের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এমনকী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন হস্টেলে নাবালক ছাত্রের যৌন হয়রানির ভূরি ভূরি প্রমাণ মিলেছে বলেই দাবি।

গত বছরের ৯ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন হস্টেলে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় বাংলা বিভাগের নবাগত ছাত্রের। তোলপাড় হয় গোটা রাজ্য। ছাত্রের মৃত্যুতে উঠে আসে খুনের অভিযোগও। যৌন হয়রানি থেকে শুরু করে সিনিয়রদের অত্যাচার, একের পর এক অভিযোগে বিদ্ধ হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এনিয়ে জলঘোলাও হয় বিস্তর। গত ১৯ তারিখ কলকাতা হাইকোর্টে অভিযুক্ত এক জনের জামিন মামলার শুনানি ছিল। যদিও অভিযুক্তের আইনজীবীর পক্ষে শুনানির পরে সেই আবেদন প্রত্যাহার করা হয় বলে জানা যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, মৃত্যুর আগে ওই পড়ুয়া দাবি করেছিলেন ‘আই অ্যাম নট আ গে’। স্বপ্নদীপের ময়নাতদন্তের যে প্রাথমিক রিপোর্ট সামনে এসেছিল, তাতে জানানো হয়, ওপর থেকে পড়ে যাওয়ার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মদ্যপান করেননি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্র। সূত্রের খবর, অন্যান্য পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেও পুলিশ জানতে পারে যে স্বপ্নদীপ একেবারে স্বাভাবিক খাবার খেয়েছিলেন। তবে ঘটনার দিন বুধবার খুব ভয় পেয়েছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *