ক্ষোভের দাবানল প্রশমিত করতে সন্দেশখালি যাবেন রাজ্যের তিন মন্ত্রী

Read Time:3 Minute

24 Hrs Tv:নিজস্ব প্রতিনিধি: ৪৩ দিন আগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের মেরে তাড়া করার পরেও এখনও অধরা শেখ শাহজাহান। একদিনে শাহজাহান এবং তার ঘনিষ্ঠ উত্তম সর্দার, শিবু হাজরার বিরুদ্ধে ক্ষোভের আগুন দাবানলের আকার নিয়েছে।

রাজ্য প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেও হিমশিম খাচ্ছে। রোজ বিরোধী দলের রাজ্য থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতারা সন্দেশখালি অভিযানের ডাক , পুলিশের ব্যারিকেডে বাঁধা পেয়ে অবস্থান বিক্ষোভে রাস্তায় বসে পরছে। সঙ্গে কেন্দ্রের কমিশন একের পর এক অভিযোগ তুলছে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের ইস্যুতে। স্থানীয় মহিলারা রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে কাছে পেয়ে আশঙ্কার কথা শুনিয়েছে, ‘ওরা যদি ফিরে আসে’। সন্ত্রস্ত্র মহিলারা নিজেদের সম্ভ্রম বাঁচাতে লাঠি হাতে রাস্তায় নেমেছে শাহজাহান এবং তার সাঙ্গপাঙ্গ উত্তম, শিবুদের গ্রেফতারের দাবিতে। উত্তম গ্রেফতার হলেও সন্দেশখালির মহিলারা আশ্বস্ত হতে পারছে না।

এই আবহে গত দিন তিনেক ধরে স্থানীয় তিন তৃণমূল নেতা সন্দেশখালির ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জল মেপে চলেছেন। শাহজাহান, উত্তম সর্দার, শিবু হাজরারদের বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল সহ একাধিক অভিযোগের পাহাড় জমে রয়েছে। বেকায়দায় পরে উত্তমের পরিবার টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিলেও চিড়ে ভিজছে না। ফাঁপরে পড়েছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার।

তাই ড্র্যামেজ কন্ট্রোলের জন্যে তিন মন্ত্রীকে পাঠানর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সুজিত বসু, পার্থ ভৌমিক এবং ব্রাত্য বসু এই তিন মন্ত্রীকে সন্দেশলখালি পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লকে ন্যাজাট থানা এলাকায় সেহেরা-রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সেয়ারা বাজারে যাবেন তিন মন্ত্রী। সেখানে সন্দেশখালির বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলবেন এমনটাই খবর। দল বা পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে নয়, মানুষের ক্ষোভ ব্যক্তি বিশেষের বিরুদ্ধে, দাবি তৃণমূলের। এদিকে, সন্দেশখালির পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে, জানালেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ এবং আদিবাসী বিষয়ক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ভারতী পাওয়ার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, গত ১০ বছরে মোদী সরকার মহিলাদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *