দীঘা’র ইতিহাস কী জানে’ন ?

Read Time:2 Minute

24 Hrs Tv ওয়েব ডেস্ক : কোয়েল বনিক : আপনি কি জানেন আজ যেই দীঘা তে আমরা যাই আগে সেখানে যেতে ঠিক কত সময় লাগতো? এখন দিঘায় যেতে সময় লাগে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা। তবে, আগে ও কি একই সময় লাগতো? জানলে অবাক হবেন আপনিও। অনেকে’ই কিন্তু জানে না দীঘার আসল নাম কি? আগে দীঘা ছিল সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি গ্রাম। জায়গাটির নাম ছিল ”বিরকূল পরগনা”। তবে, বর্তমানে এই জায়গার হদিশ পাওয়া মুশকিল। কারণ জায়গা’টি এখন সমুদ্রের নিচে তলিয়ে গেছে।

প্রায় ১৭৮০ সালে পূর্ব মেদিনীপুরে যাতায়াতের জন্য ছিল হাতি, ঘোড়া, গরু ও নৌকা। মূলত কলকাতা বসবাসকারী ব্রিটিশ দের মধ্য ঘুরতে যাবার জায়গায় ছিল দীঘা। সেখানে তারা ঘোড়া, হাতি নৌকা মাধ্যমে যাতায়াত করত। তাদের থাকার জন্য ওই দীঘা’য় কিছু বাংলো তৈরী করেছিল। তবে, বেশিদিন টেকেনি। তারপর’ই ১৯২১ সালে আসে কলকাতার বিখ্যাত কোম্পানি ”হেমিলটন প্রতিষ্ঠাতা” ”জন স্নেত” দীঘা’য় আসেন তখন’ই দীঘার প্রেমে পড়ে যান তিনি। তিনি দেশ স্বাধীন হবার পর দীঘা কে সৈকত নগরী হিসাবে চিহ্নিত করার জন্য আবেদন করেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ”বিধান চন্দ্র রায়”-এর কাছে। ১৯৫০ সালে দীঘায় আসতে হলে কলকাতা থেকে খড়গপুর এরপর বাঁস ধরে কাথি তারপর দিঘায় পৌঁছাতে হতো।আসতে আসতে উন্নত হতে থাকে পরিবহণ ব্যাবয়স্থা। তারপর’ই কলকাতা থেকে দীঘার ব্যবধান কমে যায়। বর্তমানে দীঘার কেমন পরিস্থিতি সবাই জানে। তবে, এবার দীঘায় পুরীর’র আদোলে তৈরি করা হচ্ছে এই মন্দির।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *