সিভিক পুলিশের ফোন ব্যবহার করতেন সুজয়কৃষ্ণ? কিন্তু কেন?

Read Time:3 Minute

24Hrs Tv ওয়েব ডেস্ক : প্রিয়াঙ্কা পাত্র : নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র তথা কালীঘাটের কাকু অন্যতম অভিযুক্ত। গত ৪ জানুয়ারি কাকুর গলার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করেছিল ইডি। ইডি আধিকারিকরা আদালতের নির্দেশ নিয়েই ওই দিন রাতে এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে কালীঘাটের কাকুকে জোকার ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। এবার ওই কণ্ঠস্বর সংগ্রহ মামলাতেই নয়া মোড় সামনে এসেছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি আধিকারিকরা প্রাথমিকভাবে অনুমান করেছিল, যে ব্যক্তির মোবাইলের কল রেকর্ডিংয়ে কাকুর কণ্ঠস্বর পাওয়া গিয়েছে, সেই ব্যক্তি তথা সিভক ভলান্টিয়ার রাহুল বেরাকে সিবিআই বৃহস্পতিবার নিজাম প্যালেসে ডেকেছিল।

রাহুল জেরায় তদন্তকারীদেরকে জানিয়েছেন, কাকুর সঙ্গে তাঁর সঙ্গে কাকুর কোনদিনও মোবাইল ফোনে কথা হয়নি তিনি দাবি করেন। সূত্রের খবর,এদিন নিজাম প্যারিসে রাহুলের সঙ্গে তার আইনজীবী এসেছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘রাহুল মাঠে খেলতে যেত, সেই সময় কেউ তাঁর ফোন ব্যবহার করতে পারে।’

এই প্রসঙ্গে রাহুলও বলেন, ‘যে কল রেকর্ডিং নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হচ্ছে, সেখানে আমার কোনও ভয়েস নেই। আমার কথা বিশ্বাস না হলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসাররা সেটি ফরেন্সিক তদন্তে পাঠাতে পারেন।’ তবে তাঁর সঙ্গে সুজয়কৃষ্ণের যে পরিচিতি আছে সে কথা অস্বীকার করেননি সিভিক ভলান্টিয়ার রাহুল। রাহুল তদন্তকারী সংস্থার কাছে দাবি করেছেন , ‘কাকু পরিবেশ প্রেমী। তাই বেশ কয়েকবার গাছের চারা দিতে সুজয়কৃষ্ণের বাড়িতে গিয়েছিলাম।’ তদন্তকারী অফিসাররা রাহুলের সমস্ত বক্তব্য খতিয়ে দেখছেন ইতিমধ্যে। এই প্রসঙ্গে তদন্তকারীদের বক্তব্য, যদি রাহুল সত্যি কথা বলে থাকেন, তাহলে সুজয় কৃষ্ণ তথা কালীঘাটের কাকু রাহুলের ফোন ব্যবহার করে কার সঙ্গে কথা বলতেন? আর যদি এই ঘটনাটি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে কণ্ঠস্বর সংগ্রহ মামলায় নয়া মোর সামনে আসতে পারে বলে অনুমান করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসাররা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *